"তামাবিলে শুল্ক স্টেশনের নিলামে ত্রিমুখী লড়াই" | তদন্ত রিপোর্ট

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

“তামাবিলে শুল্ক স্টেশনের নিলামে ত্রিমুখী লড়াই”

“তামাবিলে শুল্ক স্টেশনের নিলামে ত্রিমুখী লড়াই”

Manual1 Ad Code

তদন্ত প্রতিবেদক: সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে জব্দকৃত ভারতীয় চোরাই পণ্য নিলামে ক্রয় নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ছাত্রদল নেতাকর্মী ও স্থলবন্দর শ্রমিকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

Manual7 Ad Code

গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১ টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন গুরুতর আহত হন। এসময় বিভিন্ন দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি মনির হোসেন গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখাড়াও আরো ৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। খবর পেয়ে স্থানিয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Manual5 Ad Code

এই ঘটনায় তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের (রেজি নং- চট্ট-২২১৪) সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব ও সহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দাখিল করেন।

স্থানীয় সূত্রে, বুধবার তামাবিল শুল্ক স্টেশনে জব্দকৃত ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন চোরাই পণ্য বিক্রির নিলাম কার্যক্রম ছিল। সে সময় পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বদরুল আলম শাওন, সদস্য সচিব এম. শাহীন আল, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলেমান আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ ইলিয়াস উপস্থিত হয়ে নিলামের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা তাতে আপত্তি করেন।

Manual5 Ad Code

পরে ছাত্রদল সদস্য সচিব এম. শাহীন আলের আপন বড় ভাই তার ফোন পেয়ে মটর চালক দল সিলেট জেলার আহ্বায়ক হারুনুর রশীদ নেতৃত্বে আরও বেশকিছু লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলাম কাজে বাধা দেন। তবে সে সময় হারুনুর রশীদসহ এ উপজেলার ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের অসংখ্য নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। এ সময় দুই পক্ষে সংঘর্ষ রূপ ধারণ করে শুরু হয় ত্রিমুখী লড়াই এতে উভয় পক্ষের অনেকে আহত হন।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার তোফায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সময় তিনি সিলেট শহরে কনফারেন্সে ছিলেন। বিকেলে এসে ঘটনাটি জানতে পারেন। নিলামে দুইটি গ্রুপ ছিল। এর একটি গ্রুপের পক্ষে নিলাম পাইয়ে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদল এবং অন্য গ্রুপে ছিলেন শ্রমিক সংগঠনের নেতা।

তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি একটি গ্রুপের পক্ষে ছিলেন। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয় এবং শ্রমিক সংগঠনের সভাপতিসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমদ।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code