ফতেহপুর ইউপি ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের কর্মকাণ্ডে তোলপাড়! | তদন্ত রিপোর্ট

রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

ফতেহপুর ইউপি ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের কর্মকাণ্ডে তোলপাড়!

ফতেহপুর ইউপি ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের কর্মকাণ্ডে তোলপাড়!

Manual2 Ad Code

তদন্ত প্রতিবেদক: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পদের দাপট ও সংগঠনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে সীমান্তে দেদারসে চলছে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬নং ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে আসা চোরাচালানের পণ্যবাহী গাড়ি থেকে রাতে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের চাঞ্চল্যকর ও চরম উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠেছে।

Manual2 Ad Code

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা আদায়ের সুস্পষ্ট ভিডিও চিত্র ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো উপজেলা জুড়ে বইছে তীব্র সমালোচনার ঝড় এবং তৈরি হয়েছে সচেতন মহলের ব্যাপক ক্ষোভ।

Manual6 Ad Code

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করা ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ফতেহপুর বাজার এলাকায় রাতের আঁধারে চলাচলকারী প্রতিটি মালবাহী গাড়ি থামিয়ে বেপরোয়া ভঙ্গিতে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করছে একদল প্রভাবশালী যুবক।

স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছানাকান্দি, পান্তুমাই, সোনারহাট এবং তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা হরেক রকমের চোরাই পণ্য, শাকসবজি এমনকি বিষাক্ত মাদকের গাড়িও এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সিন্ডিকেটটি প্রতিটি চোরাচালানবাহী গাড়ি থেকে ১ হাজার টাকা করে চাঁদা নির্ধারণ করে দিয়ে তা জোরপূর্বক আদায় করছে।

ভিডিওতে উঠে আসা তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই চাঁদাবাজ চক্রের মূল হোতা হিসেবে নাম এসেছে ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নাজিম, সাধারণ সম্পাদক হেলু, সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল, সদস্য হুসাইন, রব্বানী এবং শাহরিয়াদের।

ক্ষমতাসীনদের মতো দলীয় পদের তকমা লাগিয়ে এভাবে সীমান্ত চোরাচালানের সাথে হাত মিলিয়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজির এমন মহড়া ছাত্রসংগঠনের রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে চরমভাবে কলঙ্কিত করেছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তবে চাঞ্চল্যকর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রদল নেতাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Manual4 Ad Code

সীমান্তবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকা এবং ছাত্রদল নেতাদের এই বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে চরম ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত সাধারণ মানুষ। সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ছাত্রসংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কোনো অপরাধী চক্রকে অবৈধ কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির এমন ওপেন মহড়া চালাতে দেওয়া যায় না।

ক্ষমতার অপব্যবহারকারী ও অপরাধীদের রুখতে কেবল মুখে বুলি না দিয়ে, অবিলম্বে এই চিহ্নিত চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক শাস্তির পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code