প্রেমিকের বন্ধুদের হাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী | তদন্ত রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

প্রেমিকের বন্ধুদের হাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

প্রেমিকের বন্ধুদের হাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

Manual5 Ad Code

বিশ্বম্ভরপুর সংবাদদাতা: সিএনজির ভেতরে প্রেমিকের বন্ধুদের হাতে ধর্ষণের শিকার ১৭ বছরের এক কিশোরী। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃতদের নাম সোহেল মিয়া (৩০), মো. এরশাদ মিয়া (৩৪) ও মাসুম মিয়া (২৫) বলে জানা গেছে।

Manual2 Ad Code

পুলিশ জানায়, তিন-চার মাস পূর্বে ভৈরব দাস নামে সুনামগঞ্জের এক যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম হয় সিলেটের বিশ্বনাথের ১৭ বছর বয়সী কিশোরীর। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে কিশোরী পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বিশ্বনাথ থেকে ভৈরবের সঙ্গে দেখা করতে সুনামগঞ্জে চলে যান। সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ভৈরবের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরে কিশোরী জানতে পারেন যে তার প্রেমিক হিন্দু ধর্মের।

ভৈরব তখন জানান, যেহেতু তারা দুজনই ভিন্ন ধর্মের, তাই আর প্রেমের সম্পর্ক রাখতে রাজি নন তিনি। এরপর ভৈরব তার বন্ধু শহরের ওয়েজখালীর সিএনজিচালক সোহেল মিয়াকে বিষয়টি জানান। সোহেল কিশোরীর মা-বাবাকে ঘটনাটি জানালে তারা সুনামগঞ্জ থেকে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু ওই কিশোরী পরে সিএনজিচালক সোহেল মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং আবারও সুনামগঞ্জে সোহেলের কাছে চলে যান। সোহেল বিয়ের প্র/লোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ১৫-১৬ দিন নিজের বাড়িতে রাখেন। এসময় তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়।

গত ১ মার্চ সোহেলের মায়ের সঙ্গে কিশোরীর ঝগড়া হলে সোহেল তাকে তার আরেক বন্ধু মো. এরশাদ মিয়ার বাসায় রেখে আসেন। কিশোরীকে এরশাদের বাসায় রেখে সোহেল সিএনজি নিয়ে সিলেট চলে যান। এরপর কিশোরী সোহেলকে মোবাইল ফোনে না পেয়ে তার বন্ধু এরশাদকে বলেন, যেন তাকে বিশ্বনাথে মা-বাবার কাছে দিয়ে আসেন। তখন এরশাদ ও আরেক সিএনজিচালক মাসুম মিয়া কিশোরীকে তার মা-বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকায় নিয়ে যান। পরে সেখানেই কিশোরীকে সিএনজির ভেতরে ধর্ষণ করেন এরশাদ। এসময় সিএনজিচালক মাসুম পাহাড়াদারের ভূমিকা পালন করে। ধর্ষণের পর কিশোরী কান্নাকাটি শুরু করলে এরশাদ ও মাসুম তাকে একটি বাসায় নিয়ে কিছুক্ষণ আটকে রাখেন। পরে কিশোরী বিষয়টি সোহেলকে জানালে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।

Manual4 Ad Code

পরবর্তীতে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সুরক্ষা বিভাগের একজন কর্মী ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। পরে কিশোরী বাদী হয়ে ধর্ষক সোহেলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ সোহেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ও সিএনজিটি জব্দ করে।

Manual2 Ad Code

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই মো. জহির হোসেন জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সবাইকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code