গোয়াইনঘাটে বালু-পাথরবাহী নৌকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি: দিশেহারা নৌ-শ্রমিকরা! | তদন্ত রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

গোয়াইনঘাটে বালু-পাথরবাহী নৌকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি: দিশেহারা নৌ-শ্রমিকরা!

গোয়াইনঘাটে বালু-পাথরবাহী নৌকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি: দিশেহারা নৌ-শ্রমিকরা!

Manual2 Ad Code

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় বালু ও পাথরবাহী নৌকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। সরকারি ইজারার নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে অবৈধভাবে ঘাট দখল করে সাধারণ নৌকার মালিক ও শ্রমিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Manual1 Ad Code

সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, নদীর তীরে শত শত বালু ও পাথরবাহী নৌকা নোঙর করা রয়েছে। ভিডিওর ধারাভাষ্য ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, গোয়াইনঘাট এলাকায় কামরুল, খায়রুল এবং কামাল মেম্বারসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে একটি চক্র এই চাঁদাবাজি ও লুটপাট চালাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ইজারা বহির্ভূত এলাকাগুলো দখল করে রাখার কারণে সেখানে প্রায়শই দেশি-বিদেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘাত, মারামারি এবং এমনকি খুনের মতো ঘটনাও ঘটছে। প্রকাশ্যে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও স্থানীয় প্রশাসন নির্বিকার বলে ভিডিওতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে এক ব্যক্তি প্রমাণস্বরূপ একগুচ্ছ চাঁদার রশিদ (স্লিপ) প্রদর্শন করেন। তিনি জানান, একটি নৌকা থেকে বিভিন্ন অদ্ভুত ও অবৈধ নামে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, ৩০০ টাকার ‘ডাকাতি ট্যাক্স’, শ্রমিক ট্যাক্স (যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে দাবি করা হয়), ইঞ্জিন ট্যাক্স, ইউনিয়ন পরিষদের নামে ১ টাকার ট্যাক্স, বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA)-এর নাম ভাঙিয়ে আদায়কৃত ট্যাক্স।

Manual5 Ad Code

ওই ব্যক্তি জানান, এর মধ্যে শুধু ৪ টাকার একটি ‘রয়্যালটি ট্যাক্স’ সরকারিভাবে বৈধ হলেও বাকি সব ধরনের রশিদের মাধ্যমেই অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে মালবাহী একটি নৌকা নিয়ে গন্তব্যে যেতে তাদেরকে বিভিন্ন ধাপে মোট প্রায় সাড়ে চার হাজার (৪,৫০০) টাকা অবৈধ চাঁদা হিসেবে পরিশোধ করতে হচ্ছে। চক্রটি নতুন করে আরও চাঁদা ধার্য করার পাঁয়তারা করছে, যার ফলে একটি নৌকা থেকে চাঁদার পরিমাণ ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

এত বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে পরিশোধ করে নৌকার মালিক, মাঝি ও শ্রমিকরা কীভাবে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করবেন, তা নিয়ে তারা চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তা ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ নৌ-শ্রমিকরা দ্রুত এই চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code