ওসমানীতে অরবিন্দু-শামীমার রামরাজত্ব | তদন্ত রিপোর্ট

শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

ওসমানীতে অরবিন্দু-শামীমার রামরাজত্ব

ওসমানীতে অরবিন্দু-শামীমার রামরাজত্ব

Manual5 Ad Code

তদন্ত রিপোর্ট: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ নার্স শামীমা নাসরিন ও অরবিন্দু চন্দ্র দাসের রামরাজত্ব চলছে।

বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওসমানী মেডিকেলের নার্সিং এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন শামীমা নাসরিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন অরবিন্দু। সেই সুবাধে তৎকালিন আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতার দাপটে অরবিন্দু বনে যান ওসমানী মেডিকেলের অঘোষিত মুকুটহীন সম্রাট।

নার্সদের পদন্নোতি, বদলী, রোস্টার বাণিজ্য, এ্যম্বুলেন্স বাণিজ্য, হাসপাতালের অভ্যন্তরে অবৈধ স্ট্যান্ড বাণিজ্য থেকে শুরু করে স্টোরের ঔষধ বাণিজ্য কোথায় ছিলেন না তিনি?

ব্রাদার সাদেক গ্রেফতার ও স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের পতনের পর পুরাতন সিন্ডিকেটের অনেকেই গাঢাকা দিলেও এখনো প্রকাশ্যে রয়েছেন অরবিন্দু দাস ও শামীমা নাসরিন। অনেকটাই যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ এর মতো।

আওয়ামী লীগের পতনের পর হাসপাতালের স্টাফ নার্স ইমরান আহমদ তাফাদার হয়েছেন বিএনপি ও সোহেল আহমদ জামায়াতের লোক হিসেবে পরিচয় দেয়া শুরু করেছেন। আর তারাই শামীমা-অরবিন্দুকে পুনর্বানের পেছনে নেপথ্যে কাজ করছেন।

Manual2 Ad Code

নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনো থামেনি সিনিয়র স্টাফনার্স শামীমা নাসরিন ও অরবিন্দু চন্দ্র দাসের রামরাজত্ব। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওসমানী মেডিকেলে রাজত্ব গড়ে তোলে এই সিন্ডিকেট। অরবিন্দু চাকুরী জীবনের শুরু থেকে সুবিধাজনক দপ্তরে ডিউটি করে আসছেন। প্রথমে রেকর্ড শাখার দায়িত্ব পালন করে পরে সেখান থেকে আরেক সুবিধার জায়গা স্টোরের দায়িত্ব পালন করেন। সকল দপ্তরে দায়িত্ব পালন করে অনৈতিকভাবে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।

Manual7 Ad Code

বিগত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জাল ভোটার ছিলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স শামীমা নাসরিন। তখন তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নিজের নাম পরিবর্তন করেন বলেছিলেন রত্না। দূর্গাকুমার প্রাথমিক বিদ্যালয়,ভোটকেন্দ্রে শামীমাই ছিলেন জাল ভোটারদের লাইনে সবার আগে। তাদের এই জাল ভোটের এই ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

Manual6 Ad Code

সূত্র জানায়, ওসমানী মেডিকেলে শামীমা নাসরিন ও অরবিন্দু চন্দ্র দাসের সিন্ডিকেটের কবলে পড়েন হাসপাতালের নিরীহ দুইজন স্টাফ নার্স আমিনুল ও সুমন। এই সময় তাদের টার্গেট ছিলো ব্রাদার সাদেককে ফাঁসানো। কিন্তু সাদেক ওইদিন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু সাদেক তাদের সিন্ডিকেটের ষড়যন্ত্রের কবল থেকে রক্ষাও পাননি। দীর্ঘদিন কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পান সাদেক।

Manual2 Ad Code

সুত্রমতে, সম্পূর্ণ ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন তৎকালীন সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও তার সহকারী আওয়ামী লীগ নেতা মবশ্বীর।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code
error: Content is protected !!