দেশ কাঁপানো মামলার রায় আগামীকাল! | তদন্ত রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

দেশ কাঁপানো মামলার রায় আগামীকাল!

দেশ কাঁপানো মামলার রায় আগামীকাল!

Manual1 Ad Code

তদন্ত রিপোর্ট ডেস্ক: সিলেটের শতবর্ষী ও ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে জিম্মি করে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মতো রোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর মামলার রায় আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঘোষিত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মহামান্য আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ—উভয়ের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক ও আইনি সওয়াল-জবাব পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। সম্যক শুনানি অন্তে সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক স্বপন কুমার সরকার রায়ের এই বহু প্রতীক্ষিত দিন ধার্য করেছেন।

Manual5 Ad Code

এর পূর্বসূত্রে, গত বুধবার সিলেট দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীবৃন্দ তাদের স্ব-স্ব আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। সিলেট দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এক দীর্ঘ ও নিবিড় বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আগামী ১৪ জুলাই রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটবে বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

কারান্তরীণ থাকা এই ঘৃণ্য অপরাধের অভিযুক্তরা হলো—সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। উল্লেখ্য, এরা প্রত্যেকেই নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্র সংগঠনের চিহ্নিত দুষ্কৃতিকারী। মামলার নথিপত্র ও আর্জির বর্ণনানুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের অভ্যন্তরে স্বামীকে অবরুদ্ধ করে এক তরুণীকে পাশবিকভাবে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এই বর্বরোচিত ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষত পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাঁড়াশি ও নিরবচ্ছিন্ন অভিযানে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সকল আসামি গ্রেফতার হয়।

Manual8 Ad Code

পরবর্তীকালে, অভিযুক্তরা বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। অধিকন্তু, অত্যাধুনিক ডিএনএ (DNA) পরীক্ষায় ছয় আসামির সরাসরি ও অকাট্য সম্পৃক্ততা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়। জনস্বার্থ ও দ্রুততম বিচার নিশ্চিতে মামলাটি গত বছরের মে মাসে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল’ থেকে ‘দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে’ স্থানান্তরিত করা হয়।

দীর্ঘ এই বিচারিক পরিক্রমায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ সর্বমোট ২৪ জন সাক্ষী বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের বস্তুনিষ্ঠ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের পর, অবশেষে সমগ্র জাতির দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকা এই চাঞ্চল্যকর ও পৈশাচিক মামলার চূড়ান্ত রায় আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code