সিলেট সিটির সিইও-কে ঘিরে বিতর্ক | তদন্ত রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

সিলেট সিটির সিইও-কে ঘিরে বিতর্ক

সিলেট সিটির সিইও-কে ঘিরে বিতর্ক

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়ক পরিবহন আইন ও নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা উপেক্ষা করে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। সরকারের এই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন আচরণকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও আইনের পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।

গত বুধবার সকালের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ৫৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ আপলোড করেন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সিলেট এয়ারপোর্ট রোডে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন এবং তাঁর পেছনে স্ত্রী বসে রয়েছেন। তবে চালক কিংবা আরোহী কারোরই মাথায় হেলমেট ছিল না। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি স্বীকার করেন যে, রাস্তা ফাঁকা থাকায় তিনি হেলমেট ব্যবহার করেননি এবং ভবিষ্যতে হেলমেট ব্যবহারের বিষয়ে সচেষ্ট হবেন।

Manual6 Ad Code

ফেসবুকে ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তা নেটিজেনদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করে অনেকে মন্তব্য করেন, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়ের জন্যই হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। একজন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়েও এমন আইন অমান্য করা কেবল দায়িত্বহীনতা নয়, বরং আইনের প্রতি অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।

Manual6 Ad Code

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, “ভোরবেলা রাস্তা ফাঁকা থাকায় হেলমেট ছাড়া বাইক চালিয়েছি, যা ঠিক হয়নি। তবে সাধারণত আমি হেলমেট পরেই যাতায়াত করি। কেবল ভিডিও ধারণের উদ্দেশ্যে খুব অল্প সময়ের জন্য হেলমেট ছাড়া ছিলাম।” সমালোচনার মুখে পরবর্তীতে তিনি ফেসবুক থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলেন।

Manual5 Ad Code

এদিকে, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন নাগরিক সমাজ। ‘সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন’ সিলেটের সমন্বয়ক আবদুল করিম চৌধুরী এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে বলেন, “যেহেতু তিনি নিজেই ভিডিওটি প্রকাশ করে নিজের দায় স্বীকার করেছেন, তাই আইনের চোখে অপরাধটি প্রমাণিত। আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের এবং যথাযথ জরিমানা করা বাঞ্ছনীয়। এতে সমাজে আইনের সমান প্রয়োগের একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে।”

উল্লেখ্য, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনাটি সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code