ড্রাইবার পিচ্চি বাবুলের সম্পদের পাহাড়! | তদন্ত রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

ড্রাইবার পিচ্চি বাবুলের সম্পদের পাহাড়!

ড্রাইবার পিচ্চি বাবুলের সম্পদের পাহাড়!

Manual7 Ad Code

সিলেট ব্যুরো: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা এক ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্র জনমনে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী থেকে শুরু করে হিসাব সহায়কদের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নামমাত্র বেতনে দায়িত্বরত সাধারণ ড্রাইভার ও হিসাব সহায়করা আজ অঢেল সম্পদের মালিক, যার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী।

দুর্নীতির এই বলয়ের অন্যতম আলোচিত নাম সিসিকের ড্রাইভার ‘পিচ্চি বাবুল’। সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি সম্পদের পাহাড়ে বসে আছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি গাড়ি ও জ্বালানি তেল ব্যক্তিগত কাজে অবাধে ব্যবহার করছেন। শুধুমাত্র বেতনভুক্ত চাকরি দিয়েই তিনি একাধিক বহুতল ভবনের মালিক বনে গেছেন, যা নগরবাসীর কাছে রহস্যময়।

Manual7 Ad Code

দুর্নীতির এই জাল শুধু চালকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা বিস্তৃত হয়েছে হিসাব শাখার গভীরে। হিসাব শাখার প্রধান আব্দুল বাসিত, সহকারী ফারুক আহমেদ ও মফিজ আলীর মতো কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তথ্যমতে, তাদের অনেকের নামেই শহরের অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট এবং বিলাসবহুল শোরুম রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই সিন্ডিকেট সরকারি সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক ভিত দুর্বল করে দিয়েছে।

Manual5 Ad Code

অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাদের অর্জিত এই সম্পদ পৈত্রিক বা পারিবারিক ব্যবসার মাধ্যমে তৈরি। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি চাকরির বেতনের সাথে এই বিলাসিতার কোনো সামঞ্জস্য নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ট্যাক্সের টাকা এভাবে লুটপাট হওয়ার কারণে নগরীর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সিসিকের সদ্য যোগদানকারী প্রশাসক আব্দুল কায়ূম চৌধুরী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানের যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Manual8 Ad Code

নাগরিক সমাজ মনে করছে, কেবল ঘোষণা নয়, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি। তবেই সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং সিসিকের হারানো ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code