নির্বাচন দেওয়ার আগে গণহত্যার বিচার করুন, শহিদ পরিবারের সদস্যরা | তদন্ত রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট পত্রিকায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

নির্বাচন দেওয়ার আগে গণহত্যার বিচার করুন, শহিদ পরিবারের সদস্যরা

নির্বাচন দেওয়ার আগে গণহত্যার বিচার করুন, শহিদ পরিবারের সদস্যরা

শহিদ পরিবারের সদস্যরা

Manual3 Ad Code

তদন্ত রিপোর্ট  ডেস্ক: ‘যাদের রক্তের ওপর দিয়ে দেশ নতুন করে স্বাধীন হলো, তাদের হত্যার বিচারের কথা কেউ বলছে না। দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়ার আগে গণহত্যার বিচার করুন। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার দ্রুত বিচার করতে হবে।

Manual2 Ad Code

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘জুলাই ২৪ শহিদ পরিবার সোসাইটি’ নামে একটি নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহিদ পরিবারের সদস্যরা এসব কথা বলেন। নবগঠিত সংগঠনটির তিনজন উপদেষ্টা নিয়ে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শহিদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, একদল রাজনৈতিক দল গঠন করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে, আরেক দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন চাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সরকার। কিন্তু তারা শহিদ পরিবারের কষ্ট বুঝতে পারছে না। হত্যার সঙ্গে জড়িত পুলিশ ও হেলমেট বাহিনীর সদস্যদের অনেককেই এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

Manual6 Ad Code

যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত মো. সিয়ামের ভাই মো. রাশেদ বলেন, এই সরকারের কাছে বেশি কিছু চাই না, ভাই হত্যার বিচার চাই। দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়ার আগে আমাদের ভাইদের হত্যার বিচার করুন।

আশুলিয়ায় পুলিশের দেওয়া আগুনে নিহত সাজ্জাত হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম বলেন, পুলিশ আমার ছেলেকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সাত মাস হয়ে গেলেও আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার পেলাম না। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে যেসব পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছে, তাদের অনেকে এখনো বাইরে রয়েছে।কান্না করতে করতে এখন আমার চোখের জল শুকিয়ে গেছে। তবুও ছেলে হত্যার বিচার পাচ্ছি না।

Manual4 Ad Code

আরেক ভুক্তভোগী নাবিল হোসেন জানান, ১৮ জুলাই তার ভাই সোহেল রানা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন করেছিলেন। পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যার পর বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে। আজও ভাইয়ের কবর শনাক্ত করতে পারেননি।

তিনি বলেন, আর কোনো আশ্বাস নয়; রায়েরবাজারে যে ১১৪ জনকে বেওয়ারিশ হিসেবে কবর দেওয়া হয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে হবে। যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি। অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের শহিদদের শতাধিক স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

Add



© All rights reserved © tadantareport.com
Design BY Web WORK BD
ThemesBazar-Jowfhowo
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code